বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
সংগৃহীত ছবি অনলাইন ডেস্ক:: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। তবে চলতি বছরের পুরস্কার তিনি পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয়ও প্রকাশ করেছেন তিনি।
বুধবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, আমি জানি না, তাদের সিদ্ধান্ত কী হতে যাচ্ছে। আমার মতো মানুষদের হয়তো এই পুরস্কার না দেওয়ার ব্যাপারে তাদের একটা পরিচিতি আছে।
নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শুক্রবার ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবে।
গত বছর হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য তিনি। বুধবার ওভাল অফিসে তিনি বলেন, ‘এখনই এর সঠিক সময়।’ একই সঙ্গে গতবার পরোক্ষভাবে নোবেল পাওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো গত জানুয়ারিতে ট্রাম্পের হাতে তাঁর ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দেন। ভেনেজুয়েলায় নিজের রাজনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার আশায় তিনি এই পদক ট্রাম্পকে দিয়েছিলেন।
ট্রাম্পের দাবি, গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি আটটি সংঘাত বা দ্বন্দ্বে হস্তক্ষেপ করেছেন। এ কারণেই তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
কম্বোডিয়া, ইসরায়েল ও পাকিস্তানের নেতারা ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে এসব মনোনয়নের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করার সুযোগ নেই।
ট্রাম্প যেসব সংঘাত সমাধানের দাবি করেন, সেগুলোর কয়েকটির পক্ষ তাঁর কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে এরই মধ্যে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে।
এদিকে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার প্রথম দিনেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে এখনো সেই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেননি তিনি।
অন্যদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সাত মাস ধরে চলমান সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বেড়েছে।
এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ারও রয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স